রংপুর রাইডার্স বোলারদের তোপে ম্যাড়মেড়ে শুরু করেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নয় ওভার শেষেও তাদের রান ছিল দুই উইকেট হারিয়ে ৩৯। তবে এরপর ওপেনার হাসান ইসাখিলের সঙ্গে হায়দার আলীর জুটিতে ১৭৩ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় নোয়াখালী। ইসাখিল খেলেন ৭২ বলে ১০৭ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস।
ম্যাচের শুরুতে দেখে খেলা শুরু করেন নোয়াখালীর দুই ওপেনার। ৫.৪ ওভারের মাথায় রহমত আলী (৯) আউট হলে মাঠে নামেন জাকের আলী। সম্প্রতি অফফর্মে থাকা এই ব্যাটার ৭ বলে ৩ রান করে বিদায় নিলে চাপে পড়ে নোয়াখালী।
এরপর নোয়াখালীর আফগান ওপেনার ইসাখিলকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন হায়দার। মাঠে দুইজন দেখেশুনে খেলতে থাকলে একটা সময় মনে হচ্ছিল কোনমতে সম্মানজনক স্কোর নিয়ে মাঠ ছাড়বে নোয়াখালী।
১৪ ওভার শেষে যখন নোয়াখালীর সংগ্রহ ৮২ রান, তখনও কেউ বুঝতে পারেননি কি আসতে চলেছে সামনে। রংপুরের বোলারদের উপর চড়াও হয়ে একের পর এক বাউন্ডারি মারতে থাকেন দুইজন। এতে শেষ ৫ ওভারে আসে ৭৫ রান।
শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ৭০ বলে ইসাখিল তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। বিপিএল-এর ইতিহাসে কোনো আফগান ব্যাটারের প্রথম সেঞ্চুরি এটি।
শেষ পর্যন্ত ৭২ বলে ১০ ছক্কা ও ৪ চারে ১০৭ রানে অপরাজিত থাকেন ইসাখিল। অপর প্রান্তে হায়দার আলীও অপরাজিত থাকেন ৩২ বলে ৪২ রানে।
রংপুরের হয়ে একটি করে উইকেট তুলে নেন নাহিদ রানা ও আলিস আল ইসলাম।